বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নগরবাসীর নজরে বিএনপি নেতা স্বাধীন

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬ ২১:২৭ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে ১৮১ বার।

বগুড়ার রাজনীতির মাঠের অতি জনপ্রিয় পরিচিত মুখ, আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন সামনে কাতারে থেকে, আজো রাজপথে সক্রিয়। ছাত্র রাজনীতির অলংকার,উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার বগুড়ায় নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী। ছিলেন সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্র সংসদ (আকসু) নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষভোটে নির্বাচিত ক্রীড়া সম্পাদক। দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বগুড়া জেলা শাখার সাবেক ৩ বারের সভাপতি, ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি, বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটি সদস্য ও বর্তমান জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি দায়িত্বে আছেন এম আর ইসলাম স্বাধীন। রাজনীতির মাঠে সবাই তাকে কিংবদন্তি আখ্যায়িত করে থাকেন। দলে সক্রিয়, স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘ সময় গণতন্ত্র পূর্ণ উদ্ধার আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের আন্দোলনে ঢাকার কর্মসূচীসহ বগুড়ায় দলীয় সকল কার্যক্রমে এম আর ইসলাম স্বাধীনের উপস্থিত চোখে পাড়ার মত। রাজপথের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন সংগ্রাম চলাকালে মামলার শিকার হয়ে বারবার কারাগারে যেতে হয়েছে। কিন্তু দমে রাখতে পারেনি। ৫ আগস্টে হাসিনা পতনের পর অনেক নেতাকর্মির বিরুদ্ধে নানা ততবির, অপর্কম ও বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও এম আর ইসলাম স্বাধীন স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন মনোভার নিয়ে থেকেছেন।

গত ২০এপ্রিল বগুড়া সফরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মামনীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত নবসৃস্ট বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসাবে নগরবাসীর নজরে এসেছেন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা এম আর ইসলাম স্বাধীনের নাম।

 

এম আর ইসলাম স্বাধীন জানিয়েছেন, বগুড়ার সকল উন্নয়ন আমাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে করতে চায়। সদ্য ঘোষিত নবসৃস্ট বগুড়া সিটি কর্পোরেশনকে আমি দলের একজন কর্মি হিসাবে নতুন অঙ্গিকে নগরবাসীর কাছে তুলে ধরতে চায়। শহরে অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের যানজট সবচেয়ে চরমভাবে দেখা যায়। আমাদের এটি চিহ্নিত সমস্য। অটোরিকশা ও যানবাহনের জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করব। নগরবাসীকে

যানজট থেকে মুক্ত রাখতে অন্তত সহনীয় পর্যায়ে আনা হবে। জলাবদ্ধতা নিরসন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নগরকে পরিস্কার ও পরিচ্ছনতা রাখা, নাগরিক সেবার মান উন্নয়ন নিশ্চিত চাই, টেকসই উন্নয়ন, নগরকে সাজাতে সিনিয়ন সির্টিনেজদের পরামর্শ গ্রহন, আধুনিত বাসযোগ্য নগরীতে রুপান্তর হবে। এম আর ইসলাম স্বাধীন তিনি আরো জানিয়েছেন, শহরের ধুলাবালিতে মানুষ অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। এই ধুলাবালি পরিষ্কার করে শহরকে ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি গ্রীন সিটি গড়তে গাছ লাগাবো। তিনি আরো জানিয়েছেন আমি নগরে সকল নাগরিককে দ্রুত সময়ের সকল সেবা দিতে স্বচেষ্ট থাকবো।আমি এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চায়। আমাদের সফল হতেই হবে। সফলতার কোনো বিকল্প নেই। সাবেক কাউন্সিলরদের নিয়ে আমি বসব এবং তাদের এই সিটি করপোরেশনের কাজে লাগাব। আমি সবার প্রতি সমান আচরণ করব এবং সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে নগরবাসিকে সেবা দিতে চায়।